07.09.08
উপসম্পাদকীয়
।। ইত্তেফাক।।
ধীরাজ কুমার নাথ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইয়ো স্টেট ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে মাত্র কয়েকদিন আগে “বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন ও দক্ষিণ এশিয়ায় খাদ্য নিরাপত্তা” শীর্ষক একটি সেমিনার ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। আইসল্যান্ডের রাষ্ট্রপতি ড. ওলাফার র্যাগনার গ্রিমসন এই সেমিনারের সমাপনী দিনে বক্তব্য রেখেছেন। এই সেমিনারে পৃথিবীর ১৭টি দেশের প্রায় ২৭০ জন প্রতিনিধি এবং জাতিসংঘের কৃষি ও খাদ্য সংস্থার প্রতিনিধিরা গবেষণালব্ধ প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এই সম্মেলনটি উদ্বোধন করেন। এ জাতীয় বৃহৎ ও দিক-দর্শনমূলক জ্ঞানগর্ভ একটি সম্মেলন বাংলাদেশে ইতিপূর্বে খুব কমই অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাপ্তি দিবসে প্রধান উপদেষ্টা তার ভাষণে উল্লেখ করেন যে, ‘জলবায়ু পরিবর্তনে দেশের কৃষি ভিত্তিক অর্থনীতি ও জনগণের খাদ্য ও পুষ্টি গ্রহণ হুমকির মধ্যে পড়েছে”। তিনি আরো উল্লেখ করেন যে, “সমুদ্র স্তরের উচ্চতা এক মিটার বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশের এক পঞ্চমাংশ এলাকা তলিয়ে যাবে এবং আড়াই থেকে তিন কোটি লোক “জলবায়ু উদ্বাস্তু” হিসাবে স্থানচ্যুত হতে উৎপাদনের উপর জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবের কারণে পর্যাপ্ত খাদ্য, বাসস্থান, খাবার পানি ও স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রায় ৫ কোটি লোককে দারিদ্র্যমুক্ত করার বিরাট চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। তাই খাদ্য উৎপাদনের সকল প্রচেষ্টা এবং খাদ্য মজুদের মাধ্যমে নিরাপত্তাবলয় সৃস্টির লক্ষ্যে অধিকতর বিনিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। প্রেসিডেন্ট গ্রিমসন, এই প্রেক্ষাপটে হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত দেশসমূহের মধ্যে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের সুপারিশ করেছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলাদেশের অর্থনীতি। খাদ্য নিরাপত্তার বলয়, সৃষ্টিতে প্রতি পদক্ষেপে সৃষ্টি হচ্ছে প্রতিবন্ধকতা। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বাংলাদেশের সহস্রাব্দের লক্ষ্য অর্জনকে যেমন বাধাগ্রস্ত করছে, তেমনিভাবে সামাজিক মূলধন সৃষ্টির সকল প্রচেষ্টাকে অর্থহীন করছে। প্রতিবছর বাজেটের বিশাল অংশ ত্রাণ, পুণর্বাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ব্যয় হচ্ছে। এ জাতীয় বিপদ সঙ্কুল অর্থনীতি, পৃথিবীতে খুবই বিরল। তার উপর আছে, আমাদের দুর্বল ও দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থা। সব কিছু একীভুত করে বিবেচনা করলে প্রতীয়মান হবে, বাংলাদেশের জনগণ ও সরকার প্রত্যক্ষভাবে জীবনযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছে।
বাংলাদেশের অর্থনীতি, খাদ্য সংকট ও খাদ্যদ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে গত এক বছরে ৪০ লক্ষ লোক চরম দারিদ্যসীমার নিচে নেমে গেছে। গত ২৬ আগস্ট, ২০০৮ বিশ্বব্যাংক এ তথ্য প্রকাশ করেছে। বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদন উল্লেখ করা হয় যে ২০০০ সালে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ছিল মোট জনগোষ্ঠীর ৪৯ শতাংশ। তবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (জিডিপি) ৬ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় দরিদ্র মানুষের সংখ্যা হ্রাস পেতে থাকে। গড়ে প্রতিবছর ৫ শতাংশ হারে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা হ্রাস পেতে শুরু করে, ফলে ২০০৫ সালে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা দাঁড়ায় মোট জনগোষ্ঠীর ৪০ শতাংশ। অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (জিডিপি) এর হার ২০০৮ সালেও একই পর্যায়ে রয়েছে বিধায় দরিদ্র মানুষের শতকরা হার ৩৫ শতাংশে নেমে আসার কথা। কিন্তু গত অর্থবছরে খাদ্য দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির কারণে দারিদ্র্যতা ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে প্রায় ৪০ লক্ষ মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে চলে গিয়েছে। বাংলাদেশের জন্য এ হচ্ছে এক দুঃখজনক অধ্যায়। তবে অর্থ উপদেষ্টা-এ তথ্য সমর্থন করেনি।
এ কথা সত্য যে, খাদ্য সংকট ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি মানুষের জীবনে ব্যাপক অস্থিরতার সূচনা করেছে। জনগণ অসন্তুষ্ট, ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে দ্রব্যমূল্য। বিশ্বব্যাংকের অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, খাদ্যের এ সংকট সরকারকে নিরসন করতেই হবে। এ লক্ষ্যে অতিদ্রুত বিভিন্ন উৎস থেকে ধান চাল গম ডাল সংগ্রহ করে মজুত বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তার বলয় সৃষ্টি করতে হবে। তবে অত্যন্ত অর্থবহ হচ্ছে কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধির সকল উদ্যোগ গ্রহণ, কৃষকদেরকে উচ্চফলনশীল বীজ ও উচ্চ প্রযুক্তি ব্যবহারে সক্ষম করে তোলা এবং সার ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে অধিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা প্রদর্শন করার মতো প্রশিক্ষণ দান করা। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে হলে চালের উৎপাদন কমপক্ষে আরো ২০-৪০ শতাংশ বৃদ্ধি করতে হবে। ভিয়েতনাম ও চীনের তুলনায় বাংলাদেশে উৎপাদনশীলতা কমপক্ষে ৩০ শতাংশ কম বলে সমীক্ষায় প্রতিভাত হয়েছে। পক্ষান্তরে, গ্রামীণ জনপদে লাগামহীনভাবে বাড়িঘর নির্মাণ, নগরায়ন ও শিল্পায়নের ফলে আবাদি জমির পরিমাণ দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। অনেক অর্থনীতিবিদ মনে করেন, প্রতিবছর ৩ শতাংশ হারে আবাদি জমি অকৃষি কাজে ব্যবহার হচ্ছে। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে নির্বিচারে সার ও কীটনাশকের ব্যবহার আমাদের কৃষিকে প্রকৃতিও পরিবেশ, জীব ও জীবনের প্রতিপক্ষ হিসাবে উপস্থাপন করেছে। মৃত্তিকা দুষণ, পানি দুষণ, লবণাক্ততা, মরু প্রবণতা ও কৃষিতে বিবিধ অবৈজ্ঞানিক ও অনাচার কৃষি বিজ্ঞানকে উপহাস করছে।
কৃষি হচ্ছে দ্রুত পরিবর্তনশীল বিজ্ঞান। নিত্যনতুন প্রযুক্তি, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, বহুমুখী গবেষণা, টিস্যু কালচার ইত্যাদির ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। এ পরিবর্তনের সাথে আমাদেরকে সম্পৃক্ত হতে হবে। উন্নত বীজ আমদানী ও সংরক্ষণ, জৈব সারের প্রয়োগ, বেশি ইউরিয়া ব্যবহার, ড্রীপ ইরিগেশান পদ্ধতি, একই জমিতে বহু ফসল বা কয়েকতলা করে চাষাবাদ, লবণাক্ত পানিতে বিরি ধান-৪৭ এর ব্যবহার ইত্যাদি নানাবিধ প্রযুক্তির প্রয়োগ করতে হবে। সর্বোপরি শুধু কৃষককে নয় সকল স্তরের জনগণকে কৃষিজ্ঞান দিতে পাঠ্যসূচিতে কৃষিকে বাধ্যতামূলক করতে হবে।
আরো অধিক কৃষি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সরকারের অর্থায়নে ও প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধায়নে পরিচালনা করার এখনই সময়। খাদ্য নিরাপত্তার লক্ষ্যে মোট ৬ কোটি ৩২ লক্ষ টন খাদ্যশস্য উৎপাদন করতে হলে বর্তমানে চাষযোগ্য জমি ১ কোটি ৫৪ লাখ হেক্টর থেকে অনেক বেশি বৃদ্ধি করতে হবে।
তদুপরি, বর্তমানে প্রচলিত সার নীতি, বীজ নীতি, পানি সেচ নীতি ইত্যাদিকে একীভূত করে সম্মিলিত কৃষি নীতি চালু করাই হবে কৃষি বিপ্লবের সূচনা। পতিত জমি, এক ফসলী জমি, জলা ও হাওর এবং চরাঞ্চলের জমিকে নীবির কৃষির আওতায় আনতে না পারলে, ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার যে লক্ষ্য তা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে। সর্বশেষ হিসাব মতে দেশে প্রতিদিন গড়ে ২২০ হেক্টর কৃষি জমি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এভাবে চললে আগামী ২০২০ সালের মধ্যে মোট কৃষি জমির এক চতুর্থাংশ কমে যাবে। জনসংখ্যা বাড়ছে এবং একই সঙ্গে খাদ্যদ্রব্যের বিবিধ প্রকার ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে। বাইওফুয়েলের অগ্রযাত্রাকে যেমন থামানো যাবে না, তেমনিভাবে খাদ্যাভাসে অর্থবহ পরিবর্তন আনা বাংলাদেশে সহজ হবে না। এতসত্ত্বেও খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের লক্ষ্যে ব্যাপক ভিত্তিক গণসচেতনা বৃদ্ধি করতে হবে। দুধ উৎপাদনকারীরা গ্রামাঞ্চলে মূল্য পায় না, মধু উৎপাদনকারীরা বাজার পায় না, সবজি বিক্রেতা উৎসাহ পায় না, ফল পুষ্প উৎপাদনকারী মধ্যসত্বভোগীদের কাছে থাকে জিম্মি, কৃষকেরা দাদনের ভারে অগ্রিম ফসল বিক্রি করছে, ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারীরা কাকডাকা ভোরে বাড়ীর আঙ্গিনায় হানা দিচ্ছে। এ জাতীয় অর্থনীতিতে খাদ্য নিরাপত্তার বেষ্টনী সৃজন মনে হয় অতটা সহজ নয় কিন্তু এগিয়ে চলার পথে থামার কোন সুযোগ নেই। কৃষি উৎপাদন বাড়িয়ে অর্থনীতিকে বাঁচতে হবে। কৃষি প্রশাসক ও বিজ্ঞানী এবং সম্প্রসারণ কর্মীদেরকে কৃষকের দুয়ারে দুয়ারে যেতে হবে। পরিস্থিতি এমন যে অর্থ থাকলেও আমদানী করার সুযোগ থাকবে না। খাদ্য সংকটের আশঙ্কার কথা জানিয়ে আই.এম.এফ বলেছে, খাদ্য সংকটের কারণে আগামীতে বাংলাদেশের অর্থনীতি ভয়াবহ মন্দার সম্মুখীন হতে পারে। প্রবৃদ্বির হার ৪ শতাংশে নেমে যেতে পারে।
কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধি ছাড়া অন্যকোন পন্থা আপাতত নেই। বাংলাদেশে বর্তমানে প্রতি হেক্টরে ধান উৎপাদন হয় সাড়ে ৩ টন অথচ জাপান, কোরিয়া এবং গণচীনে উৎপাদন হয় ৫ থেকে ৬ টন।
এই চ্যালেঞ্জকে মোকাবিলা করে কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধি করে খাদ্য নিরাপত্তা সৃষ্টি করা ভিন্ন বিকল্প কোন পন্থা নেই।
[ লেখক সাবেক সচিব ও তত্ত্বাবধায়ক
সরকারের সাবেক উপদেষ্টা]
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
About Me
- Participatory Research & Action Network- PRAN
- প্রতিদিন বিভিন্ন সংবাদপত্র কৃষি বিষয়ে নানান সংবাদ প্রকাশ করে থাকে। এ সকল তথ্য কাজের জন্য খুবই সহায়ক। কিন্তু একজনের পক্ষে প্রতিদিন সবগুলো সংবাদপত্র পড়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। অথচ এ সকল বিষয়গুলো আমাদের সবার জন্য কম-বেশি দরকারি। এ চিন্তা থেকে আমরা বিভিন্ন সংবাদপত্র নিয়মিত পরিবীক্ষণ ও কৃষি বিষয়ক সংবাদসমূহ তথ্যায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছ্।ি আশা করছি সংবাদ তথ্যায়নের এ প্রকিৃয়াটি আমাদের কাজের জন্য সহায়ক হবে। পার্টিসিপেটরি রিসার্চ এন্ড অ্যাকশান নেটওয়ার্ক- প্রান এ কাজটি সঞ্চালনের কাজ করছে।
Krishi Khobor
-
▼
2008
(356)
-
▼
September
(203)
- চুয়াডাঙ্গার কৃষকদের চাষাবাদ অনিশ্চিত
- দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০ জেলায় সারের দাবিতে কৃষক বি...
- ব্যাংককে বাধ্যতামূলক আবর্তক শস্য ঋণ দিতে হবে
- পাবনায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মাশরুম চাষ শুরু
- আলুর বাজারে ধস : জয়পুরহাটে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের মাথা...
- নড়াইলে সারের দাবিতে কৃষকদের বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ
- বাজারে আসছে হাইব্রিডের নতুনজাত এসএল ৮ ।। ফলন হেক্ট...
- অবশেষে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকই নির্মাণ করলেন কালভার্ট
- এবার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা মঠবাড়িয়ায় জোয়ারের পানি...
- আরও দুটি সারকারখানা হচ্ছে দেশে
- কালীগঞ্জের পোল্ট্রি শিল্পে চলছে ক্রান্তিকাল
- বকশীগঞ্জে ৫ টন ভেজাল সার আটক
- কলার চারা রোপণের সেরা সময় আশ্বিন মাস
- মরিচের সঙ্গে ভুট্টার আবাদ
- কৃষির ওপর নির্ভর করে মঙ্গা মোকাবিলার চেষ্টা
- জীবননগরে ধানক্ষেতে ছত্রাক : কৃষক দিশেহারা
- এবার ওরা ঘুরে দাঁড়াবেই
- সিদ্ধান্ত ভালো কিন্তু ছিদ্র বন্ধ হবে তো?
- রাজশাহীর ৮৮ ডিলারের গুদামে ১১ কোটি টাকার সার অবিত্...
- বকশীগঞ্জে ৫ টন ভেজাল সার আটক : তিনদিনেও মামলা হয়নি
- পীরগাছায় আমন ক্ষেতে পোকার আক্রমণ
- রাজিবপুরে আমন চারা সংকট
- সন্তোষজনক নয় ভেষজ উদ্ভিদ চাষাবাদের অগ্রগতি
- অন্যের জমিতে ধান ও সবজি চাষ করে মুকুল এখন স্বাবলম্বী
- ভেড়ামারায় জি.কে. প্রকল্প এলাকার কৃষকরা সেচ ও সার স...
- এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ হেমেন্দ্র দত্তের কৃষি খামার এবা...
- গঙ্গাচড়ায় মঙ্গা মোকাবেলায় ব্রিধান ৩৩ চাষে কৃষকদের ...
- উত্তরাঞ্চলে সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সুযোগ না থ...
- চিংড়ি শিল্প রক্ষায় সরকারী উদ্যোগ প্রয়োজন
- পরিবেশ বান্ধব চাষাবাদ
- সোনারগাঁয়ে বিষাক্ত বর্জ্যে ১০০ হেক্টর জমির ধান নষ্ট
- কর্মসৃজন কর্মসহৃচি : নাজিরপুর কচুরিপানা ব্যবহারে ক...
- জামালপুরে বন্যার পর ফের আমন রোপণের উদ্যোগ কৃষকের ঘ...
- শৈলকূপায় ২২০ বস্টøা সারসহ আটক ৩
- ফুলবাড়িয়ায় আনারস চাষে হরমোন প্রয়োগ আকার রং বদলে গে...
- কৃষিতে জৈব সারের প্রয়োজনীয়তা ও বাণিজ্যিক প্রসারে জ...
- বিলুপ্তির পথে কৃষিবান্ধব জলজ প্রাণী শামুক
- কম্পিউটারে উদ্ভিদের রোগ নির্ণয়
- চাল উৎপাদন এবং প্রক্রিয়াজাতকরণে নতুন সংস্করণ ‘ভ¬াদ...
- কুষ্টিয়ায় কচু নিয়ে চাষীরা বিপাকে
- জাম্বুরা: পাহাড়ে আর্থিক সাফল্যের হাতছানি
- কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ৯ হাজার ৪০০ কোটি টাকা
- নীলফামারীতে দাম পড়ে যাওয়ায় আলু নিয়ে কৃষক ও ব্যবসায়...
- চুয়াডাঙ্গা পান বরজে পচন
- কৃষি ও কৃষকের সুখবর কোথায়
- রংপুরে পাট কেনায় সাড়া নেই
- গলাচিপায় মাছ ধরার টোপ ‘বিষ’
- ঠাকুরগাঁওয়ে কৃষি শ্রমিকদের আগাম শ্রম বিক্রি
- বিএডিসিতে ধানবীজ সরবরাহ মহৃল্য না পেয়ে বিপাকে জামা...
- বান্দরবানে সারের দাবিতে মিছিল
- ভরসা কোল্ড ষ্টোরের পঁচে যাওয়া আলুর ক্ষতিপূরণ দেওয়া...
- রিকশাচালকদের কৃষি উৎপাদনে নিয়োজিত করুন
- কলারোয়ায় পাচারকালে সার আটক ।। গ্রেফতার ১
- নাটোরের হাজার পুকুরের গ্রাম বদলে দিয়েছে অর্থনীতি
- কৃষকের ভাগ্যোন্নয়ন : সুদূর পরাহত নয়
- কৃষিঋণ: কৃষির জন্য খুবই ইতিবাচক একটি সিদ্ধান্ত
- পুঠিয়ায় অবৈধ পাওয়ার ক্রাসার দিয়ে আখ মাড়াই
- কৃষিঋণ বিতরণ
- চাষি ক্ষেতে চালাইছে হাল
- কুড়িগ্রামে নকল সার কারখানার সন্ধান
- কৃষক
- সব ব্যাংকে কৃষিঋণ বিতরণের নির্দেশ বর্গা ও প্রান্তি...
- কৃষিখাতে ঋণের জোগান বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রশংসনীয় সি...
- আপদকালীন ধানচাষ জনপ্রিয় হচ্ছে মাগুরার কৃষকরা এবার ...
- সব ব্যাংকে কৃষিঋণ বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে বর্গাচাষীর...
- ওলকপি
- কালীগঞ্জে নার্সারির ব্যবসায় আজ অনেকে স্বাবলম্বী
- নারিকেল বীজ বপনের এখনই সময়
- মানবসম্পদ উন্নয়নে চাই কৃষি শিক্ষা
- আদিবাসীদের জীবন, সংগ্রাম ও জীবিকায় কৃষি
- রিকশাচালকদের কি কৃষি উৎপাদনে নিয়োজিত করা যায় না?
- সব ব্যাংকের জন্য কৃষিঋণ দেয়া বাধ্যতামূলক
- দেশি বিদেশি সব ব্যাংকের জন্য কৃষি ঋণ বাধ্যতামূলক
- বিএমডিএ ২০ লাখ তাল ও খেজুর বীজ রোপণ করবে উত্তরাঞ্চলে
- মাধবপুরে বিপুল পরিমাণ ভেজাল সার ও কীটনাশক উদ্ধার
- সারের দাবিতে ফের কৃষকদের বিক্ষোভ ফরিদপুর ভাটিয়াপাড়...
- প্রসঙ্গ কুশি ধান : লোকবিজ্ঞান ও কৃষি গ্রামীণ অর্থনীতি
- লাখ টন সার কেনার সিদ্ধান্ত
- সারের অভাবে চুয়াডাঙ্গায় শীতকালীন আগাম সবজি চাষ হুম...
- সব ব্যাংকেরই কৃষিঋণ বিতরণ বাধ্যতামূলক
- সিডর বিধ্বস্ত পিরোজপুরে পেয়ারা চাষীদের দীর্ঘশ্বাস ...
- ফরিদপুরে সারের দাবিতে দিনভর বিক্ষোভ ভাংচুর, বিএস অ...
- মধুপুরের কলার রাজ্য
- হবিগঞ্জে নকল সার কারখানা : ৫ হাজার বস্টøা ভেজাল সা...
- সার সংকটে দিশেহারা বোয়ালমারীর কৃষক ফের রাস্টøায়, গ...
- মংলাবন্দরে চরায় আটকে যাওয়া সারবোঝাই জাহাজ ২ সপ্তাহ...
- দেশের দক্ষিণাঞ্চলে রবি মওসুমে ৮ লক্ষাধিক হেক্টর জম...
- ভারতীয় চোরাচালানকৃত ভেজাল সারে বাজার সয়লাব
- আলুবীজ আমদানি সম্পর্কে
- ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে মিজান এখন কোটিপতি
- গুদাম থেকে ৮৪ বস্তা আটক ।। বোয়ালমারীতে সারের দাবিত...
- চট্টগ্রাম বন্দরে ৫ শ’ টন সার নিয়ে জাহাজডুবি
- কাসলং অরণ্য কোথায় গেল
- কৃষি অফিস বলছে, করার কিছু নেই মেহেরপুরে আউশক্ষেতে ...
- কোথায় লাগাবেন কি গাছ
- ২ লাখ টাকা পুঁজিতে কোটিপতি
- দেশে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কুমির চাষে সাফল্য
- বালাই দমনে দরকার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা
- শাক সবজি উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তা
- ভেষজ: গুরুত্বপূর্ণ ভেষজ উদ্ভিদ অর্জুন হৃদরোগে অত্য...
-
▼
September
(203)
No comments:
Post a Comment