Tuesday, September 2, 2008

সমন্বিত উদ্যোগ পরিবেশবান্ধব চাষাবাদ

বীরেন মুখার্জী
চাহিদার তুলনায় খাদ্যশস্য উৎপাদন কমে যাওয়ায় অভাবকে নিত্যসঙ্গী করে ঝিমিয়ে পড়েছিল দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি গ্রামের মানুষ। গ্রামটির নাম মহেশ্বরচাঁদা। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার ওই গ্রামের এ দশা হয় ১৯৮০ সালে। গ্রামের এ অবস্থা দেখে ২ সহকর্মী ওই গ্রামের ওমর আলী এবং পার্শ্ববর্তী বাঘারপাড়া গ্রামের আইয়ুব হোসেন মিলে গ্রামের উন্নয়নে হাত লাগান। কৃষিবিদদের গ্রামে ডেকে এনে কৃষকদের প্রশিক্ষিত করান। সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়ন করান কৃষকদের দিয়ে। কয়েক বছরের মধ্যেই সাফল্যের মুখ দেখেন তারা। খাদ্যশস্য ফলতে থাকে চাহিদার তুলনায় কয়েকগুণ বেশি। এরপর গ্রামের প্রভাবশালীদের চাপে এক রকম জীবন বাঁচানোর তাগিদে আইয়ুব হোসেন ওই গ্রাম থেকে ১৯৯৪ সালের দিকে চলে আসতে বাধ্য হন নিজ গ্রাম বন্দবিলায়। খুঁজতে থাকেন গ্রামবাসীর ভাগ্যোন্নয়নের পথ। গ্রামবাসী চাষিদের উন্নয়ন নিয়ে কথা হয় একই উপজেলার খানপুর গ্রামের আরেক কৃষক দরদী সাংবাদিক লক্ষ্মণ চন্দ্র ম-লের সঙ্গে। দুজনে কাজ শুরু করেন উন্নয়নের। পরিকল্পনা মোতাবেক তারা ঢাকা থেকে কৃষিবিজ্ঞানী ডেকে এনে বীজ প্রযুক্তি পল্লীর শিলান্যাস করান। তারপর পেরিয়ে গেছে অনেক বছর। ওই সূচনা থেকে আজ অবধি সাফল্যের-উন্নয়নের ধারা চলে আসছে গোটা এলাকায়। ক্রমশ ওই উন্নয়নের দ্যূতি ছড়িয়ে পড়ছে পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে। এখন সময় এসেছে উন্নয়নের এই ধারা গোটা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দেবার।
গোড়ার কথা : আইয়ুব হোসেন এবং লক্ষ্মণ চন্দ্র ম-ল ভাবতেন কৃষকদের জমি আছে কিন্তু তারা ভাগ্য বিবর্জিত ও অসংগঠিত। এসব ভাবনা থেকে বন্দবিলাসহ পার্শ্ববর্তী তিন গ্রামের কৃষকদের নিয়ে নানা প্রতিকূলতার মাঝে গড়ে তোলেন ‘বণিক কৃষি ক্লাব’ নামে কৃষকদের একটি সংগঠন। বন্দবিলা, নিমটা কটুরাকান্দি গ্রামের নামের আদ্যাক্ষর দিয়ে ক্লাবের নামকরণ করা হয়। পূর্ব পরিচয়ের সূত্র ধরে ঢাকা থেকে ডেকে আনেন কৃষি বিজ্ঞানী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের। গ্রামে এসে সরাসরি কৃষকদের বিভিন্ন ফসলের ওপর প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করেন। উৎপাদনের ক্ষেত্রে কৃষকদের আগ্রহ দেখে বিজ্ঞানীরাও আগ্রহ দেখান। শুরু হয় উৎপাদনমুখী এক কর্মযজ্ঞ। সূচিত হয় উৎপাদনের নবযুগের। কয়েক বছরের মধ্যেই সাফল্য আসতে শুরু করে। কৃষক অন্তঃপ্রাণ আইয়ুব হোসেন ও লক্ষ্মণ চন্দ্র ম-ল জুটির অক্লান্ত পরিশ্রমের ওই সাফল্যের ধারা দেখে পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন গ্রামের কৃষকরা এগিয়ে আসেন উৎপাদনযজ্ঞে নিজেদের সামিল করতে। এভাবে বাড়তে থাকে কৃষি ক্লাবের সংখ্যা। চলতি বছর পর্যন্ত যশোরের বাঘারপাড়া, মাগুরার শালিখা, সদর ও ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ৫৯টি গ্রামে মোট কৃষিক্লাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬২টি। এসব কৃষিক্লাবের কৃষকদের নেতৃত্ব দিতে বাঘারপাড়ার গাইদঘাট গ্রামে গড়ে তোলা হয়েছে কৃষি প্রযুক্তি বাস্তবায়ন কেন্দ্র। এসব কৃষিক্লাব ও কৃষি প্রযুক্তি বাস্তবায়ন কেন্দ্রে বসে কৃষকরা চাষবাস সংক্রান্ত নানা বিষয়ে পরামর্শ করেন। মাটির উর্বর শক্তি রক্ষা, রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে জৈব সার ব্যবহার করা, বীজ উৎপাদন, দেশীয় জাত সংরক্ষণ, কীটনাশকমুক্ত চাষাবাদ, কম্পোস্ট সার তৈরি করা, হাঁস-মুরগি ও গবাদিপশু পালন ইত্যাদি কৃষি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কৃষকরা নিজেদের মধ্যে আলোচনার পাশাপাশি কৃষিবিদদের পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ নেন।

পরীক্ষামূলক চাষাবাদ শুরু :
কৃষিক্লাবগুলোর প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন কৃষি প্রযুক্তি বাস্তবায়ন কেন্দ্র গড়ে তোলার পর ২০০১ সালে আইপিএম সিআরএসপির উদ্যোগে এ এলাকায় ‘বারি’ উদ্ভাবিত বিভিন্ন ফসলের পরীক্ষামূলক চাষাবাদ শুরু হয়। এসব চাষাবাদে প্রশিক্ষিত চাষিরা তাদের শ্রম বিনিয়োগ করে বিজ্ঞানীদের সাফল্য এনে দেন। এতে কৃষকদের সঙ্গে কৃষিবিজ্ঞানীদের মেলাবন্ধন তৈরি হয়। আর এ কাজে সহযোগিতা করেন দরদী দুই কৃষক সংগঠক আইয়ুব হোসেন ও লক্ষ্মণ চন্দ্র ম-ল। এই কৃষি প্রযুক্তি বাস্তবায়ন কেন্দ্রই সারা দেশের মধ্যে প্রথমবারের মতো বন্দবিলা গ্রামে ‘কৃষি প্রযুক্তি মেলা’র আয়োজন করে। এ মেলাই হলো কৃষকদের মিলন মেলা। মেলায় যোগ দিয়ে কৃষকদের অভাবনীয় সাফল্য দেখে অভিভূত হন দেশের শীর্ষস্থানীয় কৃষি বিজ্ঞানীরা। কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে কৃষি বিজ্ঞানীরা তাদের সব প্রযুক্তির পরীক্ষ শুরু করেন এখানকার মাটিতে। সবজি ফসলের ক্ষেত্রে মাছি জাতীয় পোকার আক্রমণ ঠেকাতে প্রয়োগ করেন ফেরোমন ট্রাপের। স্থানীয় এক চাষী এ ট্রাপের নাম দেন ‘জাদুর বক্স’। তখন থেকে ফেরোমন ট্রাপের নাম স্থানীয় কৃষকদের কাছে জাদুর বাক্স হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি পায়। এই এলাকায় গত এক যুগে এমন কোনো মাস নেই যে চাষিদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়নি। প্রশিক্ষণের মধ্যে রয়েছে মাটির স্বাস্থ্য, গুণাগুণ, উপাদান, পুষ্টি, সংরক্ষণ, সাথী ফসল চাষ, নারকেলের বহুমুখী ব্যবহার, পাট চাষ, চারা উৎপাদন, কলাই চাষ, বিষমুক্ত সবজি চাষ, কন্দল ফসল গবেষণা ইত্যাদি। এরপর থেকে মৃত্তিকা সম্পদ ইনস্টিটিউট, আন্তর্জাতিক গম ও ভুট্টা উন্নয়ন কেন্দ্র, কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট, পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট, হর্টিকালচার সেন্টার, ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট, আইআরআরআই, কীটতত্ত্ব বিভাগ কন্দল ফসল গবেষণা কেন্দ্রসহ সরকারি প্রতিষ্ঠান এখানে প্রশিক্ষণ শিবির পরিচালনা করে আসছে। দেশের শীর্ষ স্থানীয় কৃষি বিজ্ঞানীরা এসব প্রশিক্ষণ শিবিরে কৃষকদের হাতে-কলমে শিক্ষা দিয়ে থাকেন। কোনো সরকারি বিভাগের প্রশিক্ষণ ও পরীক্ষার প্রয়োজন পড়লে তারা প্রথমেই এ এলাকা নির্বাচন করেন। এ পর্যন্ত এলাকার দশ হাজারেরও বেশি কৃষক ওই প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন।

এখানকার কৃষকরা যা করেন :
প্রশিক্ষিত এ সব কৃষক কৃষি উৎপাদনে তাদের প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান প্রয়োগ করে ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। ধান আর পাটই ছিল এ এলাকার এক সময়ের কৃষিজাত ফসল। প্রশিক্ষিত কৃষকরা এসবের পাশাপাশি সবজি, ফল ও তৈল জাতীয় ফসলের উৎপাদন শুরু করে। মাঠের পর মাঠ বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চাষ করছে করলা, পটল, শিম, বরবটি, বেগুন, লাউ, কাকরোল, কচুর লতি, কলা, ঝিঙা, চিচিঙ্গা, মুলা, কপি, আলু, শশা, মরিচ, আদা, পিঁয়াজ, রসুন, টমেটো, সরিষা, ছোলা, মসুরি, কলাই, ভুট্টা ও তিল। আপেলকুল, বাউকুল, পেয়ারা ও উন্নত জাতের আমের বাগান করছে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে। সব ক্ষেত এবং বাগানে বসানো হয়েছে ওই জাদুর বাক্স ‘সেক্স ফেরোমন ট্রাপ’। কীটতত্ত্ব বিভাগের এ অভিনব পরীক্ষা সফল হয়েছে। এসব উৎপাদনমুখী কর্মযজ্ঞে কৃষিতে সূচিত হয়েছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। এসব কৃষক নিজেদের অর্থনৈতিক অবস্থার উত্তরণ ঘটিয়েছে পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে রাখছে অসামান্য অবদান।

কৃষকের সাফল্য দেখতে যারা এসেছেন :
পরীক্ষা শুরুর কয়েক বছরের মধ্যে দেশি-বিদেশি দুশতাধিক পিএইচডি ডিগ্রিধারী বিজ্ঞানী বন্দবিলা-গাইদঘাট-খাজুরা এলাকা পরিদর্শন করেছেন। কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন। এর মধ্যে কীটতত্ত্ব বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. সৈয়দ নুরুল আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মেজবাহ কামাল, এলজিইডির সাবেক প্রধান প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী, ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের ড. হাসানুজ্জামান, ইরির লিয়াজোঁ সায়েন্টিস্ট ড. জয়নাল আবেদিন, কীটতত্ত্ব বিশেষজ্ঞ ড. রেজাউল করিম, কৃষি সচিব ড. সি এস করিম আমেরিকার কৃষি বিজ্ঞানী ড. ডেলি পি গ্যাপাসিন প্রমুখ উল্লেখযোগ্য। গত বছরের ১২ আগস্ট গাইদঘাট এলাকার বিষমুক্ত ক্ষেত পরিদর্শন শেষে ড. ডেলি পি গ্যাপাসিন বলেন, পরিবেশবান্ধব এ চাষাবাদের কথা গোটা দেশে ছড়িয়ে দেবার সময় এসেছে। ফেরোমন সংকটের কথা জেনে তিনি বলেন, সরকারের উচিত অতিদ্রুত ফেরোমন আমদানি করা। কৃষকদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, শুধু ফেরোমনের আশায় বসে থাকলে চলবে না। কীটনাশকের প্রভাবে হারিয়ে যাওয়া ফসলের ক্ষেতের জন্য উপকারী পোকা ফিরিয়ে আনতে তার উৎপাদন এ মাটিতেই করতে হবে। এক্ষেত্রে তিনি দেশের কৃষি বিজ্ঞানীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। ড. ডেলি পি গ্যাপাসিন এলাকা পরিদর্শনের এক বছর পর এলাকায় উপকারী পোকা উৎপাদনের প্রচেষ্টা চলছে বলে কৃষক সংগঠক লক্ষ্মণ চন্দ্র ম-ল জানান।

সারাদেশে বার্তা পৌঁছানোর সময় এসেছে :
যশোরের বন্দবিলা-গাইদঘাটের কৃষকদের মাঝে সফল পরীক্ষালব্ধ জ্ঞান এখন গোটা দেশে ছড়িয়ে দেবার সময় এসেছে। এ বছরই সেক্স ফেরোমন পরীক্ষা শেষ হচ্ছে। ইতিমধ্যে মৌলভীবাজার, নরসিংদী ও বগুড়া এলাকার মাঠে সেক্স ফেরোমন ব্যবহার হচ্ছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা এখানে এসে শিখে যাচ্ছেন বিষমুক্ত সবজি চাষের কলাকৌশল। অবশ্য কীটতত্ত্ব বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. সৈয়দ নুরুল আলম স্বীকার করেন যে, বিষমুক্ত সবজি চাষের প্রধান উপকরণ ফেরোমন এখনো সহজলভ্য হয়নি। কারণ হিসেবে তিনি জানান, কিছু প্রশাসনিক জটিলতার কারণে এখনো ফেরোমন আমদানি করা যায়নি। তবে দেশের দুটি বেসরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ফেরোমন আমদানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এ ছাড়া সরকারিভাবে ইতিমধ্যে দুই মেট্রিক টন ফেরোমন আমদানি করা হয়েছে। এ ফেরোমন সারা দেশের বেগুন ও করলা ক্ষেতে ২/৩ বছর ব্যবহার করা যাবে অনায়াসে। কৃষি দরদী লক্ষ্মণ চন্দ্র ম-ল জানান, তাদের পথ অনুসরণ করে দেশের ছয়টি বিভাগীয় শহরে আঞ্চলিক এবং ঢাকার জয়দেবপুরে কেন্দ্রীয়ভাবে আয়োজিত হচ্ছে কৃষি প্রযুক্তি মেলা। তাছাড়া সরকার সম্প্রতি দেশের ছয়টি অঞ্চলে কৃষি তথ্য প্রযুক্তি সার্ভিস সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলের সেন্টারটি হবে গাইদঘাট কৃষি প্রযুক্তি বাস্তবায়ন কেন্দ্রের পাশে। তার মতে এখানকার অভিজ্ঞতা এখনই গোটা দেশে ছড়িয়ে দেবার সময় এসেছে। সারা দেশে কৃষিভিত্তিক এমন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে কৃষকদের প্রশিক্ষিত করে এবং তাদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করণে সহায়তা করতে পারলে দেশের অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। আলাপকালে কৃষক নিবেদিত প্রাণ আইয়ুব হোসেন বলেন, ঝিনাইদহের মহেশ্বরচাঁদা গ্রাম থেকে কৃষি উন্নয়নের যে ধারা শুরু হয়েছিল তা আজ গাইদঘাট-বন্দবিলার সাফল্যে এসে থেমে গেলে চলবে না। কৃষক ও পরিবেশের স্বাস্থ্য রক্ষায় বিষমুক্ত সবজি চাষসহ কৃষক ও কৃষি বিজ্ঞানীদের এ সাফল্যের বার্তা দেশময় পৌঁছাতে হবে। তাহলেই আমাদের বিজ্ঞানীদের পরিশ্রম সার্থক হবে, কৃষকদের ভাগ্যের ইতিবাচক পরিবর্তন সাধিত হবে এবং দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে।

No comments:

About Me

My photo
প্রতিদিন বিভিন্ন সংবাদপত্র কৃষি বিষয়ে নানান সংবাদ প্রকাশ করে থাকে। এ সকল তথ্য কাজের জন্য খুবই সহায়ক। কিন্তু একজনের পক্ষে প্রতিদিন সবগুলো সংবাদপত্র পড়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। অথচ এ সকল বিষয়গুলো আমাদের সবার জন্য কম-বেশি দরকারি। এ চিন্তা থেকে আমরা বিভিন্ন সংবাদপত্র নিয়মিত পরিবীক্ষণ ও কৃষি বিষয়ক সংবাদসমূহ তথ্যায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছ্।ি আশা করছি সংবাদ তথ্যায়নের এ প্রকিৃয়াটি আমাদের কাজের জন্য সহায়ক হবে। পার্টিসিপেটরি রিসার্চ এন্ড অ্যাকশান নেটওয়ার্ক- প্রান এ কাজটি সঞ্চালনের কাজ করছে।

Krishi Khobor